২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ
সংখ্যা গরিষ্ঠ ভাবে এদেশের ক্ষমতার
ভার নেয়, এর পর তাদের মূল লক্ষ্য
হয়ে দঁড়ায় দেশকে ডিজিটাল
করে গড়ে তোলা ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন।
কিন্তু আজ পাঁচ বছর পর কোন ডিজিটাল
করন বা, অগ্রগতি লক্ষিত হয় নি!! !!!
পাঁচ বছরে চতুর্থ বারের মত
বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। যা,আমাদের
ইতিহাসে বিরল। কিন্তু
কিভাবে হচ্ছে এসব?
বহুকাল পূর্বে সুবেদার সুজাউদ্দীন ও
শায়েস্তা খানের অর্থলিপ্সায়
বাংলার কোটি কোটি টাকা পশ্চিম
বাংলা ও দিল্লিতে পাঁচার
হয়ে যায়,যাকে বলা হয় পূজি পাঁচার।
আমার মনে হচ্ছে এখনও বাংলায় সেই
ভয়াবহ অবস্থা চলছে।
২০০৯ সালে যখন প্রথম বিদ্যুতের দাম
বেড়ে যায়, তখন সরকারের কর্তৃপক্ষ
দেশের সকল বিদ্যুতের মিটার
ডিজিটাল করার নির্দেশ দেয়,তারপরও
দাম কমে যায় নি। বরং বেড়েছে।
পরবর্তীতে এ নিয়ে হয়েছে অনেক গোল
টেবিল বৈঠক, কিন্তু আমরা রয়ে গেলাম
ভুক্তভোগী ই।
২০১০ সালে সরকারের
বাজেটে বিদ্যুতের ব্যাপক পরিবর্তন
দেখা দেয়, দাম আবারও বেড়ে যায়
কোন কারণ ছাড়াই।
২০১১ ও ২০১২ সালে টিপাইমুখ বাধ ,
ফারাক্কা সমস্যা ও সেনাবাহিনী র
তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়
কয়েকটি বিদ্যুত ক্ষেত্র কিন্তু জনগণের
জন্যে সেগুলো কোন কল্যাণ
বয়ে আনেনি।
শুধু পরিবর্তন হয়েছে আয়কর ও বিদ্যুতের
দাম।
পরবর্তীতে, ২০১৩ - ২০১৪
সালে দেশে এসেছে ভয়াবহ বিদ্যুৎ
সংকট।
এ নিয়ে বিরোধীদল এর
একটি সভা আমার ভালই লেগেছে,
সেখানে মূল কথা ছিল :
Stop Indian Aggressiveness.
Save South Asian River.
আমি সভাতে যোগ দিতে চাইলেও
মাত্র অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র হয়ে দেশের
জন্য কিছুই করতে পারিনি।
তারপর আসে লং মার্চ, টিপাইমুখ এর জন্য।
কিন্তু ফলাফল শুন্য।
আপনি কি জানেন, ২০০৭ এর ১৪ই নভেম্বর
দেশে সিডরের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড
হয়ে যায় দেড় লাখ ঘরবাড়ি। আর সেটার
সংখ্যা হয়ত আরও বৃদ্ধি পেত, সুন্দরবন
না থাকলে,আর সেই বন কে ধব্বংশের
জন্যে পদক্ষেপ নিলো সরকার,
তারা সেখানে রামপাল
কয়লাখনি তৈরী করল।
আমার এখন প্রশ্ন হচ্ছে, দেশের ভৌগলিক
অবস্থানের কারণে এমনিতেই
জলোচ্ছ্বাস, ঝড় হয়ে থাকে। আবার
সিডরের মত কিছু হলে, ( আল্লাহ না করুক)
কে বাঁচাবে? হাসিনা,? নাকি জয়?
এরপর,
সর্বশেষ জয় বললেন, দেশে ১২হাজার
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উতপাদন হয়েছে।
এখানে একটা কথা বলা উচিত, এক ওয়াট
আর এক মেগাওয়াট কিন্তু এক না।
আমি একটা পরিসংখ্যান করে পেয়েছি,
কোন
বাড়ি বা মেসে যদি ২৮টি বাতি,
১৬টি ফ্যান, দুটি করে টেলিভিশন,
ফ্রিজ ও কম্পিউটার ও থাকে তবুও সর্বোচ্চ
২৩০ থেকে ২৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
কাটার কথা।
তাহলে, ১২হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
গেল কই?
ইতিমধ্যে সরকারের নতুন আদেশ -
আগামী বছর থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ এর
দাম আবার বাড়বে।
হায় রে কি আর করা......
আমি ছোট হতে পারি কিন্তু কঠোর
দেশপ্রেমিক।
দেশের একটু অন্যায়ে, ষাটোর্ধ একজন
মানুষের চেয়েও বেশি ও ভয়াবহ
বজ্রকণ্ঠে কেঁপে ওঠাতে পারি দেশ।
নজরুলের বিদ্রোহী দেশপ্রেমিক আজও
আছে দেশে.....calected.
সংখ্যা গরিষ্ঠ ভাবে এদেশের ক্ষমতার
ভার নেয়, এর পর তাদের মূল লক্ষ্য
হয়ে দঁড়ায় দেশকে ডিজিটাল
করে গড়ে তোলা ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন।
কিন্তু আজ পাঁচ বছর পর কোন ডিজিটাল
করন বা, অগ্রগতি লক্ষিত হয় নি!! !!!
পাঁচ বছরে চতুর্থ বারের মত
বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। যা,আমাদের
ইতিহাসে বিরল। কিন্তু
কিভাবে হচ্ছে এসব?
বহুকাল পূর্বে সুবেদার সুজাউদ্দীন ও
শায়েস্তা খানের অর্থলিপ্সায়
বাংলার কোটি কোটি টাকা পশ্চিম
বাংলা ও দিল্লিতে পাঁচার
হয়ে যায়,যাকে বলা হয় পূজি পাঁচার।
আমার মনে হচ্ছে এখনও বাংলায় সেই
ভয়াবহ অবস্থা চলছে।
২০০৯ সালে যখন প্রথম বিদ্যুতের দাম
বেড়ে যায়, তখন সরকারের কর্তৃপক্ষ
দেশের সকল বিদ্যুতের মিটার
ডিজিটাল করার নির্দেশ দেয়,তারপরও
দাম কমে যায় নি। বরং বেড়েছে।
পরবর্তীতে এ নিয়ে হয়েছে অনেক গোল
টেবিল বৈঠক, কিন্তু আমরা রয়ে গেলাম
ভুক্তভোগী ই।
২০১০ সালে সরকারের
বাজেটে বিদ্যুতের ব্যাপক পরিবর্তন
দেখা দেয়, দাম আবারও বেড়ে যায়
কোন কারণ ছাড়াই।
২০১১ ও ২০১২ সালে টিপাইমুখ বাধ ,
ফারাক্কা সমস্যা ও সেনাবাহিনী র
তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়
কয়েকটি বিদ্যুত ক্ষেত্র কিন্তু জনগণের
জন্যে সেগুলো কোন কল্যাণ
বয়ে আনেনি।
শুধু পরিবর্তন হয়েছে আয়কর ও বিদ্যুতের
দাম।
পরবর্তীতে, ২০১৩ - ২০১৪
সালে দেশে এসেছে ভয়াবহ বিদ্যুৎ
সংকট।
এ নিয়ে বিরোধীদল এর
একটি সভা আমার ভালই লেগেছে,
সেখানে মূল কথা ছিল :
Stop Indian Aggressiveness.
Save South Asian River.
আমি সভাতে যোগ দিতে চাইলেও
মাত্র অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র হয়ে দেশের
জন্য কিছুই করতে পারিনি।
তারপর আসে লং মার্চ, টিপাইমুখ এর জন্য।
কিন্তু ফলাফল শুন্য।
আপনি কি জানেন, ২০০৭ এর ১৪ই নভেম্বর
দেশে সিডরের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড
হয়ে যায় দেড় লাখ ঘরবাড়ি। আর সেটার
সংখ্যা হয়ত আরও বৃদ্ধি পেত, সুন্দরবন
না থাকলে,আর সেই বন কে ধব্বংশের
জন্যে পদক্ষেপ নিলো সরকার,
তারা সেখানে রামপাল
কয়লাখনি তৈরী করল।
আমার এখন প্রশ্ন হচ্ছে, দেশের ভৌগলিক
অবস্থানের কারণে এমনিতেই
জলোচ্ছ্বাস, ঝড় হয়ে থাকে। আবার
সিডরের মত কিছু হলে, ( আল্লাহ না করুক)
কে বাঁচাবে? হাসিনা,? নাকি জয়?
এরপর,
সর্বশেষ জয় বললেন, দেশে ১২হাজার
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উতপাদন হয়েছে।
এখানে একটা কথা বলা উচিত, এক ওয়াট
আর এক মেগাওয়াট কিন্তু এক না।
আমি একটা পরিসংখ্যান করে পেয়েছি,
কোন
বাড়ি বা মেসে যদি ২৮টি বাতি,
১৬টি ফ্যান, দুটি করে টেলিভিশন,
ফ্রিজ ও কম্পিউটার ও থাকে তবুও সর্বোচ্চ
২৩০ থেকে ২৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
কাটার কথা।
তাহলে, ১২হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
গেল কই?
ইতিমধ্যে সরকারের নতুন আদেশ -
আগামী বছর থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ এর
দাম আবার বাড়বে।
হায় রে কি আর করা......
আমি ছোট হতে পারি কিন্তু কঠোর
দেশপ্রেমিক।
দেশের একটু অন্যায়ে, ষাটোর্ধ একজন
মানুষের চেয়েও বেশি ও ভয়াবহ
বজ্রকণ্ঠে কেঁপে ওঠাতে পারি দেশ।
নজরুলের বিদ্রোহী দেশপ্রেমিক আজও
আছে দেশে.....calected.
No comments:
Post a Comment