Wednesday, December 31, 2014
Tuesday, December 30, 2014
বিখ্যাত কিছু মনীষীর বাণী
বিখ্যাত কিছু মনীষীর বাণী
- যে যাই বলুক, তুমি তোমার নিজের পথে চল – দান্তে
- কর্মদক্ষতাই মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু – দাওয়ানী
- সব সমস্যার প্রতিকার হচ্ছে ধৈর্য্য চেষ্টা – প্লুটাস
- টাকা পয়সাহীন মানুষ তীরহীণ ধনুকের মত – টমাস ফুলার
- পরের উপকার করা ভাল কিন্তু নিজেকে পথে বসিয়ে নয় – এডওয়ার্ড ইয়ং
- যাকে শ্রদ্ধা করা যায় না, তাকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসাও যায় না – সুইফ্ট
- সুন্দর পোষাক পরিহিত ব্যাক্তি মাত্রই ভদ্রলোক নয় – জন রে
- আইন মাকড়শার জালের মত, ক্ষুদ্র কেউ পরলে আটকে যায় বড়োরা ছিড়ে বেড়িয়ে আসে – সলোন
- বিলাসিতা করার মধ্যেও সীমাব্ধতা থাকা উচিত – এলবাট হুবাট
- ভীরুরা যখন নিরাপদ অবস্থানে থাকে তখনই অন্যকে শাসাতে সাহস পায় – গ্যাটে
- প্রয়োজন আইনের তোয়াক্কা করে না – বেন্জ্ঞামিন ফ্রাঙ্কলিন
- একজন সৎব্যাক্তি সকল পক্ষ কর্তৃক সম্মানিত হয়ে থাকেন – উইলিয়াম হ্যাজলিটি
- অর্থ মানুষকে পিশাচ করে তুলে, আবার অর্থই মানুষকে মহৎও করে তুলে – ক্যাম্বেল
- একটি মহৎ হৃদয় যার আছে, তিনি অতুলনীয় ঐশ্বর্যের অধিকারী – নিকোলাস রাড়
- জীবন হচ্ছে মৃত্যুর ঘনিষ্ঠ সংগী – এস টি কোলরিজ
- দুঃখ, ঘৃণা এবং ভয়কে হাসিমুখে বরণ করতে পারলে সংসারে শান্তি আসে – হাফিজ
- বিনাশ্রমে অর্জিত সম্পদ দুঃখজনক পরিণতি ডেকে আনে – মহিউদ্দিন
- অল্পতে যারা সন্তুষ্ট তাদের ধ্বংস নেই – মলিয়ের
- কোন কাজে যার নিজস্ব পরিকল্পনা নেই, তার সাফল্য অনিশ্চিত – অলিবার গোল্ডস্মিথ।
- প্রকৃতি হচ্ছে প্রতিভাবানদের শিক্ষক – জে.জি হল্যান্ড
- প্রকৃতি তার গোপন কথা একদিন বলবেই – এমিলি ডিকেন্স
- একজন সৎবন্ধু যার নাই তার জীবন দুঃসহ – ডেমোক্রিটাস
- সময় তাদের জন্য অনেক্ষন অপেক্ষ করে যারা তার সদ্ব্যবহার করতে জানে- লিওনার্দো দা ভিন্চি
- আমাদের জীবন আমাদের ইচ্ছার উপর নয় আমাদের কর্মের উপড় দন্ডায়মান – ণিথা গোরাম
- জীবন যতক্ষন আছে, বিপদ ততক্ষন থাকবেই – ইমারসন।
Wednesday, December 24, 2014
Monday, December 22, 2014
Saturday, December 20, 2014
Thursday, December 18, 2014
Tuesday, December 16, 2014
Monday, December 15, 2014
Sunday, December 14, 2014
MD SHAYESTA MIAH: MD SHAYESTA MIAH: studypool
MD SHAYESTA MIAH: MD SHAYESTA MIAH: studypool: MD SHAYESTA MIAH: studypool : studypool
Saturday, December 13, 2014
Friday, December 12, 2014
Wednesday, December 3, 2014
ট্রাইব্যুনালের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের মেয়ে ব্যারিস্টার সারা হোসেন।
স্বামী ও ইংরেজি নিউএজ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ডেভিড বার্গম্যানকে
দণ্ডের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন
সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের মেয়ে ব্যারিস্টার সারা হোসেন।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আবেগ কি আপনার চেয়ে আমার কম আছে? আপনি কি মনে করেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যাপার শুধু আপনার কাছেই থাকবে, আমার কাছে থাকতে পারবে না?’
মঙ্গলবার ডেভিড বার্গম্যানকে চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং মামলা চলাকালীন সময়ে আদালতে বসে থাকতে হবে অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করে।
এ রায়ের পর বার্গম্যানের স্ত্রী সারা হোসেন বলেন, ‘রায়ের পর এখানে যেসব সংবাদকর্মী আছেন, তাদেরই প্রথমে প্রশ্ন তোলা উচিত- সাংবাদিকরা আদৌ কিছু বলতে কিংবা কিছু করতে পারবে কিনা।’
তিনি বলেন, ‘অবমামননার আইন দিয়ে সবকিছু এভাবে রুদ্ধ করা হবে, আপিলের সুযোগ থাকবে না, এটা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত না। এসব কর্মকাণ্ড বাংলাদেশকে পৃথিবীর কাছে ভালো চোখে দেখায় না।’
সারা হোসেন বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের এ রায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর চরম আঘাত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হচ্ছে- স্বাধীনভাবে মুক্ত চিন্তার চর্চা করা এবং ভিন্নমত সহ্য করা। কিন্তু রায়ে সে পথ রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ভিন্নমত যদি কিছু থাকে, তার বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত। খুবই দুঃখের বিষয়- ট্রাইব্যুনালের আজকের (মঙ্গলবার) এই রায় বাকস্বাধীনতাকে কোনোভাবেই সংরক্ষণ করেনি। বরং বাকস্বাধীনতার পথকে রুদ্ধ করেছে।’
সারা হোসেন বলেন, ‘বিদেশি নাগরিকদের প্রতি আমরা আমাদের অধিকার কতটুকু রাখতে পারছি, সবকিছু কোর্টের আইন দিয়ে বেঁধে দেয়া সাংবিধানিক কিনা, বললেই অবমাননা হবে এবং আপিলের সুযোগ থাকবে না, প্রশ্ন তোলার জায়গা থাকবে না- এসব কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ তার অধিকার বিশ্বের কাছ থেকে আদায় করতে পারবে কিনা তা বিশাল প্রশ্ন হয়ে দেখা দিচ্ছে।’
ট্রাইব্যুনাল ডেভিড বার্গম্যানের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি এদেশে কীভাবে সাংবাদিকতা করছেন তা খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে। এ বিষয়ে সারা হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারবহির্ভূত। কারো নাগরিকত্ব দেখা তাদের কাজ নয়।’
তিনি বলেন, ‘ট্রাইব্যুনাল যদি হুমকি দিয়ে বলতে চেষ্টা করে- বাংলাদেশি একজন নাগরিকের স্বামীর এদেশে কোনো অধিকার থাকবে না। এদেশে সে কথা বলতে পারবে না। তাহলে আমি তাদের এই মতের ব্যাপারে চরম, চরম, চরম আপত্তি জানাচ্ছি।’

সারা হোসেন প্রধানমন্ত্রী-পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘মনে হচ্ছে এদেশে দুই ধরনের নাগরিক রয়েছেন। একপক্ষ অন্য দেশের নাগরিককে বিয়ে করতে পারবে, কোনো সমস্যা হবে না। তাদের ঢাল-তলোয়ার দিয়ে সুরক্ষা দেওয়া হবে। অন্যরা করলেই যত সমস্যা।’
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘উচ্চতর পর্যায়ের মানুষেরা এদেশে যা ইচ্ছা তাই করতে পারবেন, যা ইচ্ছা তাই বলতে পারবেন, তাতে কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু যারা সরকারের কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তুলবে, তাদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করা হবে।’
ড. কামাল হোসেন কন্যা বলেন, ‘বর্তমান সরকারের কোনো কাজ নিয়ে সমালোচনা করলেই সেটা উনি (ডেভিড বার্গম্যান) করুক, আমি করি বা অন্য যে কেউ করুক, আপনারা সবাই ভালো করেই জানেন- তার ওপরে আক্রমণ করা হচ্ছে। কিন্তু কেন এই আক্রমণ?’
তিনি ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘কোর্ট একটা রায় দিয়েছে, কিন্তু এ রায় কিসের ভিত্তিতে দিয়েছে তারা? প্রসিকিউশনের কোনো আবেদনের ভিত্তিতে কোর্ট রায় দেইনি। তৃতীয় একটি পক্ষের আবেদনে এ রায় দেওয়া হয়েছে।’
সারা হোসেন সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘ওই তৃতীয় পক্ষ কারা? কারা তাদের এখানে পাঠিয়েছে? কেনই বা তারা এখানে এসেছেন? আপনারা কেন এই প্রশ্নগুলো তুলছেন না। এই প্রশ্নগুলো আপনাদের করা উচিত।’
এ সময় এক সাংবাদিক ব্যারিস্টার সারা হোসেনের কাছে জানতে চান, তাদের কারা এখানে পাঠিয়েছে বলে আপনি মনে করছেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে এর পেছনে অন্য কোনো একটা কারণ আছে। আপনারা খোঁজ করেন, আপনারা সংবাদকর্মী, আপনাদের তদন্ত করে বের করা উচিত- কেন মনে করা হচ্ছে, সরকারের বিরুদ্ধে কেউ কোনো একটি প্রশ্নও তুলতে পারবে না।’
এ সময় সারা হোসেন প্রশ্ন ছুড়ে দেন- ‘মুক্তিযুদ্ধের অনেক ইতিহাস রয়েছে। সেগুলো নিয়ে কেন কথা বলা যাবে না? আপরা কি মনে করেন চর্চা করা মানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করা?’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা ৩০ লাখ বা তিন লাখ নিয়ে ইতিহাস বিকৃত করার প্রশ্ন এখানে মূখ্য নয়। ৩০ লাখ নিয়ে আগেও অনেকে অনেক প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের হাতের কাছে পাওয়া যায়নি। হাতের মধ্যে একজনকে (ডেভিড বার্গম্যান) পাওয়া গেছে, সেজন্য তাকেই রায়ে ধরা হয়েছে।’
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মানুষের আবেগ বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে সারা হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আবেগ (ইমোশন) কি আপনার চেয়ে আমার কম আছে? আপনি কি মনে করেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যাপারটা শুধু আপনার কাছেই থাকবে, আমার কাছে থাকতে পারবে না?’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার (বার্গম্যানের) অনেক কাজ রয়েছে। সেগুলো আমরা কোর্টে সাক্ষ্য-প্রমাণ হিসেবে দাখিলও করেছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে সে সব সময় কথা বলে গেছে। কখনোই সে বলেনি বিচার করা যাবে না। অথচ তাকে ঘিরে এই প্রশ্ন তোলা হলে সেটা আমি মনে করি অন্যায় হয়েছে।’
ব্যারিস্টার সারা হোসেন জানান, ‘ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছে, সেটা আমরা এখনো পুরোটা দেখিনি। দেখার পর এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিব।’
তিনি বলেন, ‘আমি আবারো বলছি- আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আমি ২০ বছর আন্দোলন করেছি, মিছিল করেছি। সেখানে আমার স্বামীকে কেন দেশ থেকে উৎখাত করা হবে? যেটা কোর্টের এখতিয়ারের বিষয়ও না, তা নিয়ে তারা কেন মন্তব্য করবে? আর এটাই আমার কাছে একটা রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তাকে (বার্গম্যানকে) এমন করে ভিকটিমাইজ করায় আমি ঘোর আপত্তি জানাচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমরা ৪৩ বছর ধরে বলে এসেছি। অনেকে আরো অনেক কিছু বলেছেন, লিখেছেন, লিখছেন। যদি অন্য করো লেখা নিজের লেখার মধ্যে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করা হয় তাহলে কেন সেটা অপরাধ হবে, তা আমার বোধগম্য নয়।’
এ সময় সাংবাদিকদের ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে এখনো পৃথিবীর অনেক জায়গায়, অনেক একাডেমিক জার্নালে লেখা আছে, সেগুলো আপনারাও সংগ্রহ করতে পারেন, আপনারাও পড়ে দেখতে পারেন।’
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আপনারা আজকে ডেভিড বার্গম্যানের শাস্তিকে যদি সঠিক মনে করেন, তাহলে হার্ভ র্যে র অধ্যাপক আছেন, এ নিয়ে লিখেছেন এমন ভারতীয় অনেক সাংবাদিকও আছেন, তাদের সবাইকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত। যারা লিখেছেন, প্রশ্ন তুলেছেন তাদের সবাইকে এনে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত।’
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আবেগ কি আপনার চেয়ে আমার কম আছে? আপনি কি মনে করেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যাপার শুধু আপনার কাছেই থাকবে, আমার কাছে থাকতে পারবে না?’
মঙ্গলবার ডেভিড বার্গম্যানকে চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং মামলা চলাকালীন সময়ে আদালতে বসে থাকতে হবে অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করে।
এ রায়ের পর বার্গম্যানের স্ত্রী সারা হোসেন বলেন, ‘রায়ের পর এখানে যেসব সংবাদকর্মী আছেন, তাদেরই প্রথমে প্রশ্ন তোলা উচিত- সাংবাদিকরা আদৌ কিছু বলতে কিংবা কিছু করতে পারবে কিনা।’
তিনি বলেন, ‘অবমামননার আইন দিয়ে সবকিছু এভাবে রুদ্ধ করা হবে, আপিলের সুযোগ থাকবে না, এটা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত না। এসব কর্মকাণ্ড বাংলাদেশকে পৃথিবীর কাছে ভালো চোখে দেখায় না।’
সারা হোসেন বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের এ রায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর চরম আঘাত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হচ্ছে- স্বাধীনভাবে মুক্ত চিন্তার চর্চা করা এবং ভিন্নমত সহ্য করা। কিন্তু রায়ে সে পথ রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ভিন্নমত যদি কিছু থাকে, তার বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত। খুবই দুঃখের বিষয়- ট্রাইব্যুনালের আজকের (মঙ্গলবার) এই রায় বাকস্বাধীনতাকে কোনোভাবেই সংরক্ষণ করেনি। বরং বাকস্বাধীনতার পথকে রুদ্ধ করেছে।’
সারা হোসেন বলেন, ‘বিদেশি নাগরিকদের প্রতি আমরা আমাদের অধিকার কতটুকু রাখতে পারছি, সবকিছু কোর্টের আইন দিয়ে বেঁধে দেয়া সাংবিধানিক কিনা, বললেই অবমাননা হবে এবং আপিলের সুযোগ থাকবে না, প্রশ্ন তোলার জায়গা থাকবে না- এসব কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ তার অধিকার বিশ্বের কাছ থেকে আদায় করতে পারবে কিনা তা বিশাল প্রশ্ন হয়ে দেখা দিচ্ছে।’
ট্রাইব্যুনাল ডেভিড বার্গম্যানের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি এদেশে কীভাবে সাংবাদিকতা করছেন তা খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে। এ বিষয়ে সারা হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারবহির্ভূত। কারো নাগরিকত্ব দেখা তাদের কাজ নয়।’
তিনি বলেন, ‘ট্রাইব্যুনাল যদি হুমকি দিয়ে বলতে চেষ্টা করে- বাংলাদেশি একজন নাগরিকের স্বামীর এদেশে কোনো অধিকার থাকবে না। এদেশে সে কথা বলতে পারবে না। তাহলে আমি তাদের এই মতের ব্যাপারে চরম, চরম, চরম আপত্তি জানাচ্ছি।’

সারা হোসেন প্রধানমন্ত্রী-পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘মনে হচ্ছে এদেশে দুই ধরনের নাগরিক রয়েছেন। একপক্ষ অন্য দেশের নাগরিককে বিয়ে করতে পারবে, কোনো সমস্যা হবে না। তাদের ঢাল-তলোয়ার দিয়ে সুরক্ষা দেওয়া হবে। অন্যরা করলেই যত সমস্যা।’
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘উচ্চতর পর্যায়ের মানুষেরা এদেশে যা ইচ্ছা তাই করতে পারবেন, যা ইচ্ছা তাই বলতে পারবেন, তাতে কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু যারা সরকারের কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তুলবে, তাদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করা হবে।’
ড. কামাল হোসেন কন্যা বলেন, ‘বর্তমান সরকারের কোনো কাজ নিয়ে সমালোচনা করলেই সেটা উনি (ডেভিড বার্গম্যান) করুক, আমি করি বা অন্য যে কেউ করুক, আপনারা সবাই ভালো করেই জানেন- তার ওপরে আক্রমণ করা হচ্ছে। কিন্তু কেন এই আক্রমণ?’
তিনি ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘কোর্ট একটা রায় দিয়েছে, কিন্তু এ রায় কিসের ভিত্তিতে দিয়েছে তারা? প্রসিকিউশনের কোনো আবেদনের ভিত্তিতে কোর্ট রায় দেইনি। তৃতীয় একটি পক্ষের আবেদনে এ রায় দেওয়া হয়েছে।’
সারা হোসেন সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘ওই তৃতীয় পক্ষ কারা? কারা তাদের এখানে পাঠিয়েছে? কেনই বা তারা এখানে এসেছেন? আপনারা কেন এই প্রশ্নগুলো তুলছেন না। এই প্রশ্নগুলো আপনাদের করা উচিত।’
এ সময় এক সাংবাদিক ব্যারিস্টার সারা হোসেনের কাছে জানতে চান, তাদের কারা এখানে পাঠিয়েছে বলে আপনি মনে করছেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে এর পেছনে অন্য কোনো একটা কারণ আছে। আপনারা খোঁজ করেন, আপনারা সংবাদকর্মী, আপনাদের তদন্ত করে বের করা উচিত- কেন মনে করা হচ্ছে, সরকারের বিরুদ্ধে কেউ কোনো একটি প্রশ্নও তুলতে পারবে না।’
এ সময় সারা হোসেন প্রশ্ন ছুড়ে দেন- ‘মুক্তিযুদ্ধের অনেক ইতিহাস রয়েছে। সেগুলো নিয়ে কেন কথা বলা যাবে না? আপরা কি মনে করেন চর্চা করা মানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করা?’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা ৩০ লাখ বা তিন লাখ নিয়ে ইতিহাস বিকৃত করার প্রশ্ন এখানে মূখ্য নয়। ৩০ লাখ নিয়ে আগেও অনেকে অনেক প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের হাতের কাছে পাওয়া যায়নি। হাতের মধ্যে একজনকে (ডেভিড বার্গম্যান) পাওয়া গেছে, সেজন্য তাকেই রায়ে ধরা হয়েছে।’
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মানুষের আবেগ বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে সারা হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আবেগ (ইমোশন) কি আপনার চেয়ে আমার কম আছে? আপনি কি মনে করেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যাপারটা শুধু আপনার কাছেই থাকবে, আমার কাছে থাকতে পারবে না?’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার (বার্গম্যানের) অনেক কাজ রয়েছে। সেগুলো আমরা কোর্টে সাক্ষ্য-প্রমাণ হিসেবে দাখিলও করেছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে সে সব সময় কথা বলে গেছে। কখনোই সে বলেনি বিচার করা যাবে না। অথচ তাকে ঘিরে এই প্রশ্ন তোলা হলে সেটা আমি মনে করি অন্যায় হয়েছে।’
ব্যারিস্টার সারা হোসেন জানান, ‘ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছে, সেটা আমরা এখনো পুরোটা দেখিনি। দেখার পর এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিব।’
তিনি বলেন, ‘আমি আবারো বলছি- আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আমি ২০ বছর আন্দোলন করেছি, মিছিল করেছি। সেখানে আমার স্বামীকে কেন দেশ থেকে উৎখাত করা হবে? যেটা কোর্টের এখতিয়ারের বিষয়ও না, তা নিয়ে তারা কেন মন্তব্য করবে? আর এটাই আমার কাছে একটা রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তাকে (বার্গম্যানকে) এমন করে ভিকটিমাইজ করায় আমি ঘোর আপত্তি জানাচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমরা ৪৩ বছর ধরে বলে এসেছি। অনেকে আরো অনেক কিছু বলেছেন, লিখেছেন, লিখছেন। যদি অন্য করো লেখা নিজের লেখার মধ্যে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করা হয় তাহলে কেন সেটা অপরাধ হবে, তা আমার বোধগম্য নয়।’
এ সময় সাংবাদিকদের ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে এখনো পৃথিবীর অনেক জায়গায়, অনেক একাডেমিক জার্নালে লেখা আছে, সেগুলো আপনারাও সংগ্রহ করতে পারেন, আপনারাও পড়ে দেখতে পারেন।’
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আপনারা আজকে ডেভিড বার্গম্যানের শাস্তিকে যদি সঠিক মনে করেন, তাহলে হার্ভ র্যে র অধ্যাপক আছেন, এ নিয়ে লিখেছেন এমন ভারতীয় অনেক সাংবাদিকও আছেন, তাদের সবাইকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত। যারা লিখেছেন, প্রশ্ন তুলেছেন তাদের সবাইকে এনে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত।’
KHAN MARKETING.NET: KHAN MARKETING.NET: WELLCOME IN NEW BLOG.
KHAN MARKETING.NET: KHAN MARKETING.NET: WELLCOME IN NEW BLOG.: KHAN MARKETING.NET: WELLCOME IN NEW BLOG. : HI EVREY ONE ,???????????????????????????
Sunday, November 30, 2014
BD ONLINE GUIDE: প্রেমিকের টানে ছয সন্তান কে রেখেই উড়াল
BD ONLINE GUIDE: প্রেমিকের টানে ছয সন্তান কে রেখেই উড়াল: প্রেমিকের টানে ছয সন্তান কে রেখেই উড়াল
Saturday, November 29, 2014
BD ONLINE GUIDE: QURAN AR SHIKKA
BD ONLINE GUIDE: QURAN AR SHIKKA: 10 আদিল সালাহ পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু কর...
Wednesday, November 26, 2014
ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার
আজ প্রায় সবাই জানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করা যায়। আবার অনেকে কাজ করে লাভোবান হয়েছেন। তবে জানার থেকে সঠিক উপায়ে কাজটি করার মাঝে সফলতা নিহিত রয়েছে। মজার বিষয় এখনো আমরা অনেকেই জানিনা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং কে কেরিয়ার হিসেবে নেওয়া যায়. ফ্রিল্যান্সিং নির্ভর করে আপনার কাজের দক্ষতা, আপনার অভিজ্ঞতা এবং কাজের পারিশ্রমিক চাওয়ার উপর। আপনি যদি কাজে দক্ষ হন এবং যদি কাজের মাধ্যমে বায়ারকে সন্তুষ্ট করতে পারেন তবে অবস্যই কাজ পাবেন। আপনার ইংরেজি দক্ষতা এক্ষেত্রে ভালো ফল দিতে পারে। কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে অনলাইন মার্কেট সম্মন্ধে নলেজ রাখতে হবে। অনেকে আছেন, যারা আবেদন করেই কাজ পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন অনকে আবেদন করেও কাজ পাননা,তবে ধর্যহারা হলে চলবেনা।
যদি কোথাও আটকে যান, তখন গুগল সার্চ করুন। অনলাইনে আপনার সহায়ক অনেক উপকরণ পাবেন। প্রোফাইল তৈরি থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া পর্যন্ত সব কিছুই এখন অনলাইনে আপনার হাতের নাগালে।
মনে রাখবেন আউটসোর্সিং মানে শুধু অনলাইনে কাজ করা না,অনলাইনের বাইরেও কাজ করে আপনি আয় করতে পারবেন। বর্তমান পরিসংখ্যানের তথ্য মতে, বাংলাদেশের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার যুবসমাজ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সক্রিয়। আউটসোর্সিং এ যাহারা একেবারেই নতুন তাদের মনেরাখতে হবে,নিজকে যোগ্য করে গরুন, আপনাকে জব খুজতে হবেনা জব আপনাকে খুজে নেবে.
গুগলকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু বানিয়ে ফেলুন। যেকোনো সফল ফ্রিল্যান্সারকে জিজ্ঞেস করলেই দেখবেন, প্রত্যেকেই বলবে তারা অনেক কিছু গুগল সার্চ করে জেনেছে। বিষয়টি আসলেই সত্যি। যদি কোথাও আটকে যান, তখন গুগল সার্চ করুন। অনলাইনে আপনার সহায়ক অনেক উপকরণ পাবেন। প্রোফাইল তৈরি থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া পর্যন্ত সব কিছুই এখন অনলাইনে পাবেন।
সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে সক্রিয় থাকুন। লিংকডইনে তৈরি করুন পেশাদার প্রোফাইল। আপনি ইউটিউব থেকেও টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন। অবশ্য একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরুর আগে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা ও উন্নত কনফিগারেশনের কম্পিউটারও প্রয়োজন পড়বে।
ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে অনেকেই দিন-রাত কিছুই মানেন না । ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে অনেকেই বন্ধুদের সঙ্গেও দেখা করার সুযোগ পান না। এজন্য অনেকেই একা হয়ে পড়েন এবং অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করলেও নিজেকে কিছুটা সময় দিন। বই পড়ুন, বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটান। ঠিক সময়ে ঘুমান। প্রচুর পানি পান করুন। নিজের কাজের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে যান। শুধু অর্থ আয়ের পেছনে ছোটার চেয়ে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে নিন আগে। ফ্রিল্যান্সিং করে যাঁরা সফল হয়েছেন তাঁদের পরামর্শ হচ্ছে কাজ না শিখে ফ্রিল্যান্সিংয়ে আসবেন না।calected
প্রসঙ: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সংকট ও নিরসন।
২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ
সংখ্যা গরিষ্ঠ ভাবে এদেশের ক্ষমতার
ভার নেয়, এর পর তাদের মূল লক্ষ্য
হয়ে দঁড়ায় দেশকে ডিজিটাল
করে গড়ে তোলা ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন।
কিন্তু আজ পাঁচ বছর পর কোন ডিজিটাল
করন বা, অগ্রগতি লক্ষিত হয় নি!! !!!
পাঁচ বছরে চতুর্থ বারের মত
বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। যা,আমাদের
ইতিহাসে বিরল। কিন্তু
কিভাবে হচ্ছে এসব?
বহুকাল পূর্বে সুবেদার সুজাউদ্দীন ও
শায়েস্তা খানের অর্থলিপ্সায়
বাংলার কোটি কোটি টাকা পশ্চিম
বাংলা ও দিল্লিতে পাঁচার
হয়ে যায়,যাকে বলা হয় পূজি পাঁচার।
আমার মনে হচ্ছে এখনও বাংলায় সেই
ভয়াবহ অবস্থা চলছে।
২০০৯ সালে যখন প্রথম বিদ্যুতের দাম
বেড়ে যায়, তখন সরকারের কর্তৃপক্ষ
দেশের সকল বিদ্যুতের মিটার
ডিজিটাল করার নির্দেশ দেয়,তারপরও
দাম কমে যায় নি। বরং বেড়েছে।
পরবর্তীতে এ নিয়ে হয়েছে অনেক গোল
টেবিল বৈঠক, কিন্তু আমরা রয়ে গেলাম
ভুক্তভোগী ই।
২০১০ সালে সরকারের
বাজেটে বিদ্যুতের ব্যাপক পরিবর্তন
দেখা দেয়, দাম আবারও বেড়ে যায়
কোন কারণ ছাড়াই।
২০১১ ও ২০১২ সালে টিপাইমুখ বাধ ,
ফারাক্কা সমস্যা ও সেনাবাহিনী র
তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়
কয়েকটি বিদ্যুত ক্ষেত্র কিন্তু জনগণের
জন্যে সেগুলো কোন কল্যাণ
বয়ে আনেনি।
শুধু পরিবর্তন হয়েছে আয়কর ও বিদ্যুতের
দাম।
পরবর্তীতে, ২০১৩ - ২০১৪
সালে দেশে এসেছে ভয়াবহ বিদ্যুৎ
সংকট।
এ নিয়ে বিরোধীদল এর
একটি সভা আমার ভালই লেগেছে,
সেখানে মূল কথা ছিল :
Stop Indian Aggressiveness.
Save South Asian River.
আমি সভাতে যোগ দিতে চাইলেও
মাত্র অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র হয়ে দেশের
জন্য কিছুই করতে পারিনি।
তারপর আসে লং মার্চ, টিপাইমুখ এর জন্য।
কিন্তু ফলাফল শুন্য।
আপনি কি জানেন, ২০০৭ এর ১৪ই নভেম্বর
দেশে সিডরের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড
হয়ে যায় দেড় লাখ ঘরবাড়ি। আর সেটার
সংখ্যা হয়ত আরও বৃদ্ধি পেত, সুন্দরবন
না থাকলে,আর সেই বন কে ধব্বংশের
জন্যে পদক্ষেপ নিলো সরকার,
তারা সেখানে রামপাল
কয়লাখনি তৈরী করল।
আমার এখন প্রশ্ন হচ্ছে, দেশের ভৌগলিক
অবস্থানের কারণে এমনিতেই
জলোচ্ছ্বাস, ঝড় হয়ে থাকে। আবার
সিডরের মত কিছু হলে, ( আল্লাহ না করুক)
কে বাঁচাবে? হাসিনা,? নাকি জয়?
এরপর,
সর্বশেষ জয় বললেন, দেশে ১২হাজার
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উতপাদন হয়েছে।
এখানে একটা কথা বলা উচিত, এক ওয়াট
আর এক মেগাওয়াট কিন্তু এক না।
আমি একটা পরিসংখ্যান করে পেয়েছি,
কোন
বাড়ি বা মেসে যদি ২৮টি বাতি,
১৬টি ফ্যান, দুটি করে টেলিভিশন,
ফ্রিজ ও কম্পিউটার ও থাকে তবুও সর্বোচ্চ
২৩০ থেকে ২৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
কাটার কথা।
তাহলে, ১২হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
গেল কই?
ইতিমধ্যে সরকারের নতুন আদেশ -
আগামী বছর থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ এর
দাম আবার বাড়বে।
হায় রে কি আর করা......
আমি ছোট হতে পারি কিন্তু কঠোর
দেশপ্রেমিক।
দেশের একটু অন্যায়ে, ষাটোর্ধ একজন
মানুষের চেয়েও বেশি ও ভয়াবহ
বজ্রকণ্ঠে কেঁপে ওঠাতে পারি দেশ।
নজরুলের বিদ্রোহী দেশপ্রেমিক আজও
আছে দেশে.....calected.
সংখ্যা গরিষ্ঠ ভাবে এদেশের ক্ষমতার
ভার নেয়, এর পর তাদের মূল লক্ষ্য
হয়ে দঁড়ায় দেশকে ডিজিটাল
করে গড়ে তোলা ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন।
কিন্তু আজ পাঁচ বছর পর কোন ডিজিটাল
করন বা, অগ্রগতি লক্ষিত হয় নি!! !!!
পাঁচ বছরে চতুর্থ বারের মত
বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। যা,আমাদের
ইতিহাসে বিরল। কিন্তু
কিভাবে হচ্ছে এসব?
বহুকাল পূর্বে সুবেদার সুজাউদ্দীন ও
শায়েস্তা খানের অর্থলিপ্সায়
বাংলার কোটি কোটি টাকা পশ্চিম
বাংলা ও দিল্লিতে পাঁচার
হয়ে যায়,যাকে বলা হয় পূজি পাঁচার।
আমার মনে হচ্ছে এখনও বাংলায় সেই
ভয়াবহ অবস্থা চলছে।
২০০৯ সালে যখন প্রথম বিদ্যুতের দাম
বেড়ে যায়, তখন সরকারের কর্তৃপক্ষ
দেশের সকল বিদ্যুতের মিটার
ডিজিটাল করার নির্দেশ দেয়,তারপরও
দাম কমে যায় নি। বরং বেড়েছে।
পরবর্তীতে এ নিয়ে হয়েছে অনেক গোল
টেবিল বৈঠক, কিন্তু আমরা রয়ে গেলাম
ভুক্তভোগী ই।
২০১০ সালে সরকারের
বাজেটে বিদ্যুতের ব্যাপক পরিবর্তন
দেখা দেয়, দাম আবারও বেড়ে যায়
কোন কারণ ছাড়াই।
২০১১ ও ২০১২ সালে টিপাইমুখ বাধ ,
ফারাক্কা সমস্যা ও সেনাবাহিনী র
তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়
কয়েকটি বিদ্যুত ক্ষেত্র কিন্তু জনগণের
জন্যে সেগুলো কোন কল্যাণ
বয়ে আনেনি।
শুধু পরিবর্তন হয়েছে আয়কর ও বিদ্যুতের
দাম।
পরবর্তীতে, ২০১৩ - ২০১৪
সালে দেশে এসেছে ভয়াবহ বিদ্যুৎ
সংকট।
এ নিয়ে বিরোধীদল এর
একটি সভা আমার ভালই লেগেছে,
সেখানে মূল কথা ছিল :
Stop Indian Aggressiveness.
Save South Asian River.
আমি সভাতে যোগ দিতে চাইলেও
মাত্র অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র হয়ে দেশের
জন্য কিছুই করতে পারিনি।
তারপর আসে লং মার্চ, টিপাইমুখ এর জন্য।
কিন্তু ফলাফল শুন্য।
আপনি কি জানেন, ২০০৭ এর ১৪ই নভেম্বর
দেশে সিডরের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড
হয়ে যায় দেড় লাখ ঘরবাড়ি। আর সেটার
সংখ্যা হয়ত আরও বৃদ্ধি পেত, সুন্দরবন
না থাকলে,আর সেই বন কে ধব্বংশের
জন্যে পদক্ষেপ নিলো সরকার,
তারা সেখানে রামপাল
কয়লাখনি তৈরী করল।
আমার এখন প্রশ্ন হচ্ছে, দেশের ভৌগলিক
অবস্থানের কারণে এমনিতেই
জলোচ্ছ্বাস, ঝড় হয়ে থাকে। আবার
সিডরের মত কিছু হলে, ( আল্লাহ না করুক)
কে বাঁচাবে? হাসিনা,? নাকি জয়?
এরপর,
সর্বশেষ জয় বললেন, দেশে ১২হাজার
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উতপাদন হয়েছে।
এখানে একটা কথা বলা উচিত, এক ওয়াট
আর এক মেগাওয়াট কিন্তু এক না।
আমি একটা পরিসংখ্যান করে পেয়েছি,
কোন
বাড়ি বা মেসে যদি ২৮টি বাতি,
১৬টি ফ্যান, দুটি করে টেলিভিশন,
ফ্রিজ ও কম্পিউটার ও থাকে তবুও সর্বোচ্চ
২৩০ থেকে ২৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
কাটার কথা।
তাহলে, ১২হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
গেল কই?
ইতিমধ্যে সরকারের নতুন আদেশ -
আগামী বছর থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ এর
দাম আবার বাড়বে।
হায় রে কি আর করা......
আমি ছোট হতে পারি কিন্তু কঠোর
দেশপ্রেমিক।
দেশের একটু অন্যায়ে, ষাটোর্ধ একজন
মানুষের চেয়েও বেশি ও ভয়াবহ
বজ্রকণ্ঠে কেঁপে ওঠাতে পারি দেশ।
নজরুলের বিদ্রোহী দেশপ্রেমিক আজও
আছে দেশে.....calected.
Monday, November 24, 2014
BD ONLINE GUIDE: বাংলাদেশ থেকে ভিসা ছারাই ঘুরে আসতে পারেন যেসব দেশ!...
BD ONLINE GUIDE: বাংলাদেশ থেকে ভিসা ছারাই ঘুরে আসতে পারেন যেসব দেশ!...: ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে: #এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা) #শ্রীলংকা (৩০ দিন) আফ্রি...
BD ONLINE GUIDE: ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে মানি ট্রান্সফার সুবিধা
BD ONLINE GUIDE: ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে মানি ট্রান্সফার সুবিধা: ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে মানি ট্রান্সফার সুবিধা
BD ONLINE GUIDE: QURAN AR SHIKKA
BD ONLINE GUIDE: QURAN AR SHIKKA: 10 আদিল সালাহ পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু কর...
DO YOU KNOW YOURSELF???????????
আহ্ল্লাহ সিস্তিগত ভাবে মানুষকে অজানাকে জানার জন্য ৬ টি হাতিয়ার দান করেসেন
১-দৃষ্টি শক্তি
২-স্রবণ শক্তি
৩-স্বাদ শক্তি
৪-গ্রান শক্তি
৫-তক শক্তি
৬-মেধা শক্তি
এই ৬ শক্তি ব্যবহার করে মানুষ্ অনেক কিসু করতে পারবে।
১-দৃষ্টি শক্তি
২-স্রবণ শক্তি
৩-স্বাদ শক্তি
৪-গ্রান শক্তি
৫-তক শক্তি
৬-মেধা শক্তি
এই ৬ শক্তি ব্যবহার করে মানুষ্ অনেক কিসু করতে পারবে।
Tuesday, November 18, 2014
Sunday, November 16, 2014
Saturday, November 15, 2014
Wednesday, November 12, 2014
Monday, November 10, 2014
রাজধানীর আবাসিক হোটেল পর্ণ মুভি বানাতে গিয়ে ঢাবির ৫ শিক্ষার্থী সহ ১১ জন আটক !
পর্নোছবি তৈরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা
পড়ার অভিযোগ উঠেছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত কয়েকজন ঢাবি শিক্ষার্থী।এ
নিয়ে আজ সারাদিন ঢাবি ক্যাম্পাসে নানা মুখরোচক কথাবার্তা ও কানাঘুষা চলছে।
রাজধানীর একটি হোটেল থেকে রবিবার রাতে মোট ১১জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ জন শিক্ষার্থী
রয়েছে।আটককৃতদের মধ্যে চারজন মেয়ে ও সাতজন ছেলে বলে জানা গেছে ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ আলী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে
সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, ‘আটক ১১ জনের মধ্যে দুজন বর্তমান ও তিনজন সাবেক
শিক্ষার্থী সহ মোট পাঁচজন ঢাবির শিক্ষার্থী বলে জানতে পেরেছি । তারা
বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের শিক্ষার্থী। তবে তাদের নাম এখনো আমার হাতে
আসেনি। ’
নাম প্রকাশের ক্ষেত্রে বংশাল থানা পুলিশ
অবশ্য গোপনীয়তা বজায় রেখে চলছেন। আজ সোমবার সকালে গ্রেপ্তারকৃতদেরকে সংবাদ
মাধ্যমের চোখ ফাঁকি দিয়ে আদালতের মাধ্যেমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রবিবার রাতে
এলাকাবাসীর দেয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ রাজধানীর নিমতলীর সুফিয়া হোটেলে হানা
দেয়।আটককৃতরা এ সময় পর্নো ছবি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছিল। পুলিশের
উপস্থিতি টের পেয়ে যে যার মতো করে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।পুলিশ এ
সময় ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ পর্নোমুভির সরঞ্জমাদি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে বংশাল থানার ডিউটি অফিসার হাফিজুল
ইসলাম জানান, সোমবার সকালে ডিএমপি অ্যাক্টের ৭৪ ধারায় তাদের আদালতে পাঠানো
হয়েছে। আটকদের মধ্যে দু/একজন ঢাবির শিক্ষার্থী রয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া
তাদের নামপরিচয় জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।
এলাকাবাসী জানায়, মাঝে মাঝেই হোটেল
সুফিয়াতে এ ধরনের অপকর্ম চলতো।স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে এই অপকর্ম করা হয়। এ
নিয়ে হোটেল মালিক ও এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ ওই হোটেলের কারণে এলাকার যুবক ছেলে-মেয়ে গোল্লায় যাচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ ওই হোটেলের কারণে এলাকার যুবক ছেলে-মেয়ে গোল্লায় যাচ্ছে।
তারা আরও জানায়, রবিবার বেশ কয়েকজন
ছেলেমেয়ে একসাথে হোটেলে প্রবেশ করে। বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসলে তারা এক
পর্যায়ে এক হয়ে হোটেলটি ঘেরাও করে। পরে বিভিন্ন কক্ষ থেকে চারজন মেয়ে ও
সাতজন ছেলেকে আটক করে।
এ সময় তাদের রুম থেকে বিপুল পরিমাণ পর্নো ভিডিও, পর্নো সিডি, পর্নো ম্যাগাজিন, পর্ন মুভি তৈরির সরঞ্জাম ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
এ সময় তাদের রুম থেকে বিপুল পরিমাণ পর্নো ভিডিও, পর্নো সিডি, পর্নো ম্যাগাজিন, পর্ন মুভি তৈরির সরঞ্জাম ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
Saturday, November 8, 2014
Friday, November 7, 2014
৭ ই নবেম্বর এর গটনা ???????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????
৭ ই নবেম্বর এর গটনা সম্পর্কে অনেক এর কলাম পরলাম বাট মাতায় ডুকেনা। বিন্ন জন বিন্য ভাবে বয়ান করলেন। বাট কোনটা রিয়েল রে পাগলু।
Thursday, November 6, 2014
Wednesday, November 5, 2014
বাংলাদেশের প্রথম ওয়াইফাই নগরী হচ্ছে সিলেট
দেশের প্রথম ওয়াইফাই নগরী হতে যাচ্ছে সিলেট। সিলেট নগরীকে ওয়াইফাই আওতায়ভুক্ত করতে নগরীর ১০টি পয়েন্টে সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হচ্ছে। নগরবাসী এইসব এলাকায় ফ্রি ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। ওয়াইফাই সংযোগের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, তরুণ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে সিলেট নগরীকে ওয়াইফাই করার উদ্যোগ নেয়া হয়। গত ১৬ আগস্ট সিলেট নগরীর উন্নয়ন কর্মকান্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ক সেমিনারে প্রথম এই ঘোষণা দেয়া হয়। এরপর থেকে সিলেটকে ওয়াইফাই নগরী করার পরিকল্পনা শুরু হয়।
প্রথমে নগরীর চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, বন্দরবাজারসহ ১০টি পয়েন্টে ওয়াইফাই সংযোগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। ওয়াইফাই সংযোগের কাজ পায় নিটল নিলয় গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এনরিচ নেট প্রাইভেট লিমিটেড। গত ২৭ অক্টোবর থেকে তারা ওয়াইফাই’র কাজ শুরু করেছে।
সিসিক সূত্র জানায়, নগরীর ১০টি পয়েন্টে ফ্রি ওয়াইফাই সংযোগ নগরবাসীর মাঝে সাড়া ফেললে পর্যায়ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সকল এলাকায় ওয়াইফাই’র ব্যবস্থা করা হবে। এতে নগরবাসী ফ্রি ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।
ফ্রি ওয়াইফাই ছাড়াও সিলেট সিটি করপোরেশন ডিজিটাল তথ্য সেবা গ্রন্থ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এই সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রবাসী সিলেটীরাও সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সেবা দ্রুততম সময়ে গ্রহণ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান যুগ প্রযুুক্তিনির্ভর। তরুণ সমাজের কথা চিন্তা করে সিলেটকে ওয়াইফাই নগরী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটা সম্ভব হলে সিলেট হবে বাংলাদেশের প্রথম ওয়াইফাই নগরী। এতে তরুণ প্রজন্মসহ নগরীর সর্বস্তরের মানুষ বিনামূল্যে নির্ধারিত এলাকায় প্রযুক্তি সেবা পাবেন।
মেয়র আরও বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সিলেটে সাইবার ভিলেজ স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সঙ্গেও আলোচনা চলছে। উপযুক্ত জায়গা পেলেই সাইবার ভিলেজ স্থাপনের কাজ শুরু হবে।
উল্লেখ্য, সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে আরিফুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী অঙ্গিকারের মধ্যে একটি ছিল সিলেটকে সাইবার সিটি হিসেবে গড়ে তোলা। এর অংশ হিসেবে সিলেটকে ফ্রি ওয়াইফাই নগরী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে।
ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ১০টি প্রেমের কাহিনী
প্রেম মানে না জাতি ধর্ম, প্রেম মানে না সমাজ, তাই প্রেমের টানে ইতিহাসের শুরু থেকেই পৃথিবীতে ঘটেছে অবিস্মরনীয় সব ঘটনা। প্রেমের টানে সিংহাসন ছেড়ে পথিক হয়ে গেছেন কেউ কেউ, আবার প্রেমের টানেই কেউবা আবার আপন করে নিয়েছেন পৃথিবীর সব দুঃখ-গাঁথা। আসুন আজ জানি ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ১০টি প্রেমের কাহিনী-
.
১। স্কারলেট ও’হারা অ্যান্ড রেথ বাটলারঃ
বলা হয়ে থাকে বিখ্যাত লেখক Margaret Mitchell এর কালজয়ী ক্লাসিক “Gone with the Wind,” হল ভালোবাসা বাসি মানুষের জন্য এক বাইবেল! সিভিল ওয়ারের পটভূমি নিয়ে, এবং স্কারলেট-বাটলারের বাঁধন হারা-উন্মাতাল প্রেম, মানসিক টানাপোড়ন, চাওয়া- পাওয়ার হিসেব, দেশের অস্থির সময়—এই সব কিছু মিলিয়েই এটি হয়ে উঠেছে অমর এক সাহিত্য কর্ম। উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্কারলেট কখনোই কারও বাঁধনে নিজেকে বাঁধতে নারাজ ছিল। কিন্তু বাটলারের উন্মত্ত প্রেমকে সে কখনোই উপেক্ষা করতে পারেনি। সুখী জীবনের চিন্তায় বিভোর স্কারলেটের সুখ বেশীদিন স্থায়ী হয়নি। তাঁর মনস্তান্তিক দ্বন্দ্ব রয়েই গেল। আর তাইতো শেষে স্কারলেট বলেছিল, “Tomorrow is another day!”
.
২। পাউলো অ্যান্ড ফ্রান্সেসকাঃ
সত্য কাহিনী অবলম্বনে এই চরিত্র দুটি নেয়া হয়েছে বিশ্ব বিখ্যাত লেখক Dante-এর অমর সাহিত্য কর্ম হল “Divine Comedy” থেকে। ফ্রান্সেসকার স্বামী মালাটেস্তা ছিলেন একজন ভয়ানক অপরাধী। তাঁর ছোট ভাই পাউলোর সাথে মিলে ফ্রান্সেসকা Dante এর বই পড়ে সময় কাটাতেন। পরবর্তীতে দুজনের মধ্যে প্রেম জন্মে নেয়। ঘটনা জানাজানি হবার পর খুব স্বাভাবিক ভাবেই ফ্রান্সেসকার স্বামী দুজনকেই হত্যা করে।
.
৩। ওডিসিয়াস অ্যান্ড পেনেলোপঃ
গ্রীক অন্যান্য প্রেমের গল্পের মতোই, এই জুটির প্রেমমেও ছিল, ত্যাগ আর বিসর্জন। প্রেমের ক্ষেত্রে গ্রীক পুরাণের বেশীর ভাগ কাহিনীরই মূলমন্ত্র হল, “Tragedy and sacrifice.” জুটি তাঁদের মিলনের জন্য অপেক্ষা করেছিল দীর্ঘ ২০ বছর! তাঁদের বিয়ের কিছু পরেই ওডিসিয়াসকে যুদ্ধে চলে যেতে হয়েছিল। কিন্তু স্বামীর প্রত্যাবর্তননের আশায় আশায় পেনেলোপ তাঁর জন্য অপেক্ষা করেছিল ২০ বছর। এরমধ্যে তিনি ১০৮ জন রাজাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, অপরদিকে ওডিসিয়াসও স্ত্রীর প্রতি বিশ্বস্থ ছিলেন। তিনিও অনেক দেবীর প্রেম ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। Homer রচিত এই এপিকে তিনি প্রমাণ করেছেন, “ভালোবাসার অন্য নাম- অপেক্ষা!” তিনি বলেছেন, “remember that true love is worth waiting for!”
.
৪। নেপোলিয়ন অ্যান্ড জোসেপাইনঃ
মহাবীর নেপোলিয়ন ২৬ বছর বয়সে, বয়সে বড় তাঁর রাজ্যের এক ধনী মহিলা জোসেপাইনের প্রেমে পড়েন। তাঁরা দুজনেই তাঁদের সম্পর্কের বিষয়ে শ্রদ্ধাবোধ, এবং ত্যাগ বজায় রেখেছিলেন। অনেকটা রাজ্য শাসনের ভারে অনেকটা অগোচরেই ছিল এই প্রেম। যদিও তাঁরা সর্বদাই স্বীকার করতেন তাঁদের সম্পর্কের কথা। নেপোলিয়ন খুব চাইতেন জোসেপাইনের গর্ভে যেন তাঁর সন্তান হয়, কিন্তু মাতৃত্ব ধারণে অক্ষম ছিলেন জোসেপাইন। কিন্তু চিরজীবন তাঁরা তাঁদের প্রতি ভালোবাসা ধরে রেখেছিলেন।
.
৫। অরফিয়াস অ্যান্ড ইরিডাইসঃ
এটিও একটি গ্রীক মিথ। সাহিত্যে তাঁদের কাহিনীকে স্বীকৃত দেয়া হয়, “tale of desperate love” বলে। গ্রীক পুরাণ মতে, স্বর্গের এক বিবাহিত পরী ইরিডাইসের প্রেমে পড়েন হারপুন নামক এক বাদ্যবাজক অরফিয়াস। কিন্তু দেবতা এরিসটেইয়াসের সাথে এই দুর্ঘটনায় অরফিয়াস, ইরিডাইসকে হারিয়ে ফেলে। তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়াহয় পাতালপুরীতে। কিন্তু অরফিয়াস তাঁর জাদুকরীএক বাদ্য মূর্ছনায় হারপুন বাজিয়ে দেব- দেবীর মন জয় করে ফেলে। তিনি তাঁর রাজ্য ফেলে ক্রমাগত হারপুন বাজিয়ে তাঁর ভালোবাসা ইরিডাইসের জন্য নানা জায়গায় অপেক্ষা করেছেন। অবশেষে সঙ্গীত দেবতা হেডস ও পারসিফোনের ক্ষমায় অরফিয়াস পাতালপুরীতে জান ইরিডাইসকে উদ্ধার করতে। কিন্তু শর্ত থাকে যে, অরফিয়াস পৃথিবীতে অবতরণের আগে ইরিডাইসকে পিছন ফিরে দেখতে পারবেন না। কিন্তু অরফিয়াস অতি আবেগে আর উৎকণ্ঠায় দেবতাদের শর্তের কথা ভুলে যায়, এবং ইরিডাইসকে দেখতে থাকে। ফলাফল, চিরতরের জন্য ইরিডাইসকে হারিয়ে ফেলে। বলা হয়ে থাকে, এই যে প্রেম কিংবা বিরহে সঙ্গীত ও মিউজিক অনেক বড় ভুমিকা থাকে, সেটা নাকি অরফিয়াস আর ইরিডাইসের প্রেমকাহিনী থেকেই অনুপ্রাণিত হওয়া।
.
৬ । প্যারিস অ্যান্ড হেলেনঃ
গ্রীক পুরাণের ফ্যাক্ট এবং ফিকশনের অপূর্ব এক সংমিশ্রণ হল, গ্রীকলেখক কালজয়ী হোমারের জগতবিখ্যাত এপিক “ইলিয়াড।” নাম করা সেই যুদ্ধের নাম হল, “Trojan War!” যে যুদ্ধে ধ্বংস হয়েছিল পুরো একটা শহর- ট্রয়! ইতিহাসে যা “war for Helen” কিংবা “Helen of troy” নামে বিখ্যাত। গ্রীক পুরাণ অনুযায়ী অনন্য এই সুন্দরী হেলেন ছিলেন, ট্রয় নগরীর পার্শ্ববর্তী, স্পার্টার রাজা মেনেলাসের স্ত্রী। ট্রয়ের ছোট রাজকুমার প্যারিস তাঁকে চুরি করে তাঁর রাজ্যে নিয়ে এসেছিলেন। এতেই বেঁধে গেল ১২ বছর ধরে চলা এক ঐতিহাসিক যুদ্ধ। স্পার্টার পক্ষে এই যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন রাজা এগামেমনন। এমনকি এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন গ্রীক দেব ও দেবীরা! ট্রয় রাজকুমার হেক্টর, প্যারিস, দেবতা অ্যাকিলিস, স্পার্টার রাজা মেনেলাস সহ অনেকেই নিহত হন। প্রেমের জন্য এত রক্তপাত আর ধ্বংস পৃথিবীর ইতিহাসে আর নেই।
.
৭ । ট্রিস্টান অ্যান্ড অ্যাইসোলেইডঃ
অনন্য এই প্রেমের কথা আমরা জানতে পারি, মধ্য ইংরেজিয় শাসন আমলে। আয়ারল্যান্ডের রাজকুমারী ছিলেন অ্যাইসোলেইড, তিনি ছিলেন ক্রনওয়ালের রাজা মার্কের বাগদত্তা। তিনি রাজকুমারী অ্যাইসোলেইডকে নিজ রাজ্য ক্রনওয়ালে ফিরিয়ে আনার জন্য দায়িত্ব দিয়েছিলেন তাঁর ভাইয়ের ছেলে ট্রিস্টানকে। কিন্তু সেই ভ্রমণে ট্রিস্টান অ্যান্ড অ্যাইসোলেইড একে অপরের প্রেমে পড়ে যান। যদিও শেষ পর্যন্ত অ্যাইসোলেইড রাজা মার্ককেই বিয়ে করতে বাধ্য হন। কিন্তু তাঁদের প্রেমের কথা রাজ্যে গোপন থাকে না। রাজা মার্ক তাঁদের দুজনকেই মাফ করে দেন, এবং বিনিমিয়ে ট্রিস্টানকে রাজ্য ছেড়ে যেতে বাধ্য করেন। পরে ট্রিস্টান, অ্যাইসোলেইডের সাথে নামের মিল থাকার কারণে ইসেউল্ট নামক এক রমণীকে বিয়ে করেন। কিন্তু, তাঁর আত্মার পুরোটা জুড়ে ছিল অ্যাইসোলেইডের প্রতি প্রেম। এক পর্যায়ে ট্রিস্টান, অ্যাইসোলেইডের বিরহে গুরুতর অসুস্থ হয়ে যান। তিনি অ্যাইসোলেইড কে শেষবারের মতো দেখতে একটি জাহাজ পাঠান। তাঁর স্ত্রী ইসেউল্ট কে বলেছিলেন, অ্যাইসোলেইড যদি আসে, জাহাজে যেন সাদা পতাকা লাগানো হয়। কিন্তু স্ত্রী ইসেউল্ট মিথ্যে বলে, জাহাজে কালো পাতাকা লাগিয়ে রাখেন। ট্রিস্টান ভাবলেন অ্যাইসোলেইড আর আসবেন না। পরে তিনি মারা যান। পরে তাঁর শোকে অ্যাইসোলেইড, তাঁরই রাজ্যে মারা যান।
.
৮ । ল্যাঞ্ছলট অ্যান্ড গুইনেভারাঃ
আরেকটি রাজকীয় এবং সেই সঙ্গে ট্র্যাজিক লাভ স্টোরি গুলোর মধ্যে অন্যতম হল, এই আর্থারিয়ান প্রেম কাহিনী স্যার ল্যাঞ্ছলট অ্যান্ড লেডী গুইনেভারা। ইংলিশ কিং আর্থারের স্ত্রী, রাণী গুইনেভারার প্রেমে পড়েছিলেন সেই রাজ্যের বীর একজন নাইট, স্যার ল্যাঞ্ছলট। রাজা আর্থারের অবহেলা আর অবজ্ঞার কারণে, একসময় রাণী গুইনেভারাও তাঁর প্রেমে পড়ে যায়। কিন্তু একদিন, রাজা আর্থারের অপর নাইট স্যার আগ্রাভেইন, স্যার মোড্রেড এবং একদল সৈন্য এই যুগলকে বদ্ধ কামরায় আবিষ্কার করে ফেলে। পরকীয়ার অপরাধে রাণী গুইনেভারাকে আগুনে পুড়িয়ে মারার শাস্তি ঘোষণা করা হয়। স্যার ল্যাঞ্ছলট তাঁর প্রেমিকা লেডী গুইনেভারাকে যুদ্ধ করে বাঁচিয়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়, কিন্তু তাঁদের এই প্রেমের জন্য পুরো রাজ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং অনেক মৃত্যুর জন্য তাঁরা নিজেদের দায়ী করে, নিজেদের মধ্যে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে তাঁরা দুজনেই দুটি ভিন্ন জায়গায় ধর্মের সেবক হয়ে যান।
.
৯ । এন্টোনি অ্যান্ড ক্লিওপার্টাঃ
অনেকের মধ্যে অন্যতম আরেকটি অমর প্রেমগাঁথার নাম, মার্ক এন্টোনি- ক্লিওপার্টা। ঐতিহাসিক এবং একই সাথে দারুণ নাটকীয় এই প্রেম হয়, অনিন্দ সুন্দরী মিসরীয় রাণী ক্লিওপার্টা আর তাঁর প্রধান সেনাপতি এন্টোনির মাঝে। শক্তিশালী এবং ঐতিহাসিক চরিত্রদুটির মাঝের এই অমর প্রেম আকর্ষণীয়ভাবে আমাদের কাছে তুলে এনেছিলেন Shakespeare তাঁর যাদুকরী লিখনির মাধ্যমে। রাজকীয় ঘাত-প্রতিঘাত, জয়পরাজয় উপেক্ষা করে তাঁরা বিয়ে করেছিলেন। পরবর্তীতে রোমান দের সাথে যুদ্ধরত এন্টোনির মনোবল ভাঙার জন্য, তাঁকে যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যে সংবাদ শুনিয়েছিলেন যে, শত্রুরা ক্লিওপার্টাকে হত্যা করেছে। তারপর এন্টোনি নিজ ছুরিতে মৃত্যুবরণ করেন, অন্যদিকে এন্টোনির মৃত্যুসংবাদ শুনে মিসরীয় রাণী ক্লিওপার্টাও নিজ ছুরিতে আত্মহত্যা করেন। Shakespeare তাঁদের জন্য বলেছিলেন, “great love demands great sacrifices!”
.
১০ । রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েটঃ
“Never was a story of love nor woe that of Juliet and her Romeo.” সবাই-ই মেনে থাকেন এই জুটিই, প্রেমের ইতিহাস বা গল্পগুলোর মধ্যে সর্বাধিক প্রচারিত বা সবচেয়ে বেশী বিখ্যাত। যেন ভালোবাসার অপর নাম রমিও-জুলিয়েট। বিশ্ব বিখ্যাত ইংরেজ লেখক, William Shakespeare এর কালজয়ী ট্রাজেডি হল এই “Romeo and Juliet!” দুটি ভিন্ন পরিবারের পূর্ববর্তী রেষারেষি, বংশীয় অহংকার ভেদ করে দুজন তরুণতরুণীর প্রথম দর্শনে প্রেমে পড়া। পরবর্তী তে পরিবারের বাঁধা, ভয় দেখানো, নানা মাসসিক সংশয়- টানাপোড়ন সব উপেক্ষা করে নানা নাটকীয়তার মাঝে তাদের বিয়ে করা। এবং সবশেষে, তথ্যগত ভুলবোঝা বুঝি জনিত কারণে বিষপানে দুজনের মৃত্যু!! সব মিলিয়েই, রোমিও- জুলিয়েট কাহিনী হয়ে গেছে অমর এক প্রেম গাঁথা! তাই পৃথিবীতে যখনই প্রেমের জন্য ত্যাগ- তিতিক্ষার কথা বলা হয়, সবার আগেই উঠে আসে এই যুগলের নাম! যুগে যুগে অসংখ্য নাটক, সিনেমা বানানো হয়েছে এই “timeless love” নিয়ে।
Tuesday, November 4, 2014
Monday, November 3, 2014
Sunday, November 2, 2014
Saturday, November 1, 2014
ইন্টারনেটে ধর্ষণচেষ্টার ভিডিও, সিলেটে মামলা???????????????????????????
শনিবার
দুপুরে ওই তরুণীর মা জৈন্তাপুরের তেলিজুড়ী গ্রামের প্রয়াত নজরুল ইসলামের ছেলে
ইমরান (২৮) ও প্রয়াত রতন মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিনের (২৬) বিরুদ্ধে জৈন্তাপুর থানায়
মামলা করেন।
মামলার
এজাহারের বরাত দিয়ে জৈন্তাপুর থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরীবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
ডটকমকে বলেন, গত ১৪ এপ্রিল ওই তরুণী তার চাচাতো ভাইকে সঙ্গে নিয়ে লালাখালে বেড়াতে
যান।
সেখানে
ইমরান ও জসিম ওই মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং তার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে ইন্টারনেটে
ছড়িয়ে দেয়।
- পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করেছে বলে জানান ওসি হারুনুর রশিদ।
NET 24 OURS: বাংলাদেশের সুন্দরী মেয়েরা বোকা ?????????????????
NET 24 OURS: বাংলাদেশের সুন্দরী মেয়েরা বোকা ?????????????????: বাংলাদেশের সুন্দরী মেয়েরা বোকা ???????? আমার জানা মতে আল্লাহ পাক কোরআন এ পরিস্কার করে বলেসেন মেয়েরা ঘরে ভিতরে তাকবে আর সেলেরা ঘ...
Friday, October 31, 2014
Monday, October 27, 2014
গোপন পরিচয়েও ফেইসবুকে চ্যাট করা যাবে
।
।
পরিচয়
গোপন রেখে চ্যাট করার সুবিধা চালু করল ফেইসবুক। সুবিধাটি দিতে বৃহস্পতিবার
'রুম' নামে নতুন একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রকাশ করেছে তারা। অ্যাপটি এখন আইফোনে
ব্যবহার করা যাচ্ছে।
এক ব্লগ পোস্টে ফেইসবুক জানায়, রুম ব্যবহার করে চ্যাট করার সময় ব্যবহারকারীর নাম, ভৌগোলিক অবস্থান বা সামাজিক সংযোগের কোনো বর্ণনা দিতে হবে না। ব্যবহারকারী এখানে তার পছন্দের বিষয়ে ছবি, ভিডিও এবং বার্তা আদান-প্রদান করতে পারবেন।
১৮ বছরের বেশি বয়সীরা অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/tech-everyday/2014/10/26/143519#sthash.b5uI2fJg.dpuf
এক ব্লগ পোস্টে ফেইসবুক জানায়, রুম ব্যবহার করে চ্যাট করার সময় ব্যবহারকারীর নাম, ভৌগোলিক অবস্থান বা সামাজিক সংযোগের কোনো বর্ণনা দিতে হবে না। ব্যবহারকারী এখানে তার পছন্দের বিষয়ে ছবি, ভিডিও এবং বার্তা আদান-প্রদান করতে পারবেন।
১৮ বছরের বেশি বয়সীরা অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/tech-everyday/2014/10/26/143519#sthash.b5uI2fJg.dpuf
পরিচয়
গোপন রেখে চ্যাট করার সুবিধা চালু করল ফেইসবুক। সুবিধাটি দিতে বৃহস্পতিবার
'রুম' নামে নতুন একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রকাশ করেছে তারা। অ্যাপটি এখন আইফোনে
ব্যবহার করা যাচ্ছে।
এক ব্লগ পোস্টে ফেইসবুক জানায়, রুম ব্যবহার করে চ্যাট করার সময় ব্যবহারকারীর নাম, ভৌগোলিক অবস্থান বা সামাজিক সংযোগের কোনো বর্ণনা দিতে হবে না। ব্যবহারকারী এখানে তার পছন্দের বিষয়ে ছবি, ভিডিও এবং বার্তা আদান-প্রদান করতে পারবেন।
১৮ বছরের বেশি বয়সীরা অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/tech-everyday/2014/10/26/143519#sthash.b5uI2fJg.dpuf
এক ব্লগ পোস্টে ফেইসবুক জানায়, রুম ব্যবহার করে চ্যাট করার সময় ব্যবহারকারীর নাম, ভৌগোলিক অবস্থান বা সামাজিক সংযোগের কোনো বর্ণনা দিতে হবে না। ব্যবহারকারী এখানে তার পছন্দের বিষয়ে ছবি, ভিডিও এবং বার্তা আদান-প্রদান করতে পারবেন।
১৮ বছরের বেশি বয়সীরা অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/tech-everyday/2014/10/26/143519#sthash.b5uI2fJg.dpuf
।
Sunday, October 26, 2014
Saturday, October 25, 2014
বাংলাদেশের সুন্দরী মেয়েরা বোকা ?????????????????
বাংলাদেশের সুন্দরী মেয়েরা বোকা ????????
আমার জানা মতে আল্লাহ পাক কোরআন এ পরিস্কার করে বলেসেন মেয়েরা ঘরের ভিতরে তাকবে আর সেলেরা ঘরের বাহিরে তাকবে. মেয়েরা প্রয়জনে ঘরের বাহিরে যাবে। ছেলেরা প্রয়জনে ঘরের ভিতরে আসবে। আমার হেডিং পড়ে বা দেকে অনেক সুন্দরী রাগ বা বকা দিতেসেন। রাগ করার কিছু নাই।কোরআন এর মতে মেয়ের জন্মের পর তার বাবার উপর ফরজ হলো মেয়েকে লেকাপড়া শিক্কা দেওয়া এবং থাকে বিবাহ দেওয়া। বিবাহ দেওয়ার পর স্বামীর উপর ফরজ থার স্ত্রীকে বরণ পোষণের। স্বামী মারা যাবার পর ছেলের উপর ফরজ মা কে দেক বার করার। যদি নিঃসন্তান হয় মেয়ে তাহলে তার স্বামীর ভাই উপর ফরজ ভাবীকে বরণ পোষণের।স্বামীর ভাই না তাকলে মেয়ের ভাইর উপর ফরজ বোনকে দেক বার করার।মেয়ের ভাই না তাকলে মেয়ের চাচা উপর ফরজ দেক বার করার।চাচা না তাকলে মেয়ের মামার উপর ফরজ দেক বার করার।সর্বপরি কেও না তাকলে যে সমাজে মেয়ে বসবাস করবে সে সমাজ এর উপর ফরজ তাকে দেক বার করার।আর যদি দেশে ইসলামী শাসন তাকে তাহলে সরকার এর উপর ফরজ তাকে দেক বার করার।আমাদের দেশ যেহেতু ইসলামী শাসন না। তাই এটা সম্বব না। বোজতে পারলেন সুন্দরী মেয়েরা।আর আল্লাহ পাক পুরষ ও নারী কে আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট দিয়া তৈরি করেসেন। ?চলবে।
Friday, October 24, 2014
UNIVERSAL TRUTH??????????????????????????????
আমি শত্রুর শারীরিক মৃত্যুতে উল্লসিত হয়ে আমার অক্ষমতা ঢাকার চেষ্টা করিনা।
আমি অক্ষম, পরাজিতদের দলে থাকতে অস্বীকার করি। প্রকৃত জয় আসে শত্রুর
আদর্শকে অর্থহীন মূল্যহীন করে ফেলার মধ্যে।collected.
Thursday, October 23, 2014
অধিক যোগ্যতা সম্পন্ন মেয়েদের বিয়ে হয় না!
অধিক যোগ্যতা সম্পন্ন নারীরা বর পাচ্ছে না। জনবহুল দেশ চীনে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নিজের যোগ্যতার মাপকাঠি ও অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে উপযুক্ত বর পায়না চীনার যোগ্য নারীরা।চীনা মেয়েরা ভাল লেখাপড়ায় করে ভাল চাকরি বাড়ি পেরেও পায়না বর। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি দেশটিতে নিজের যোগ্যতায় খুব সফল মেয়েদের বিয়ে হচ্ছে না।
বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলে মেয়ের আর বিয়ে হবে না চীনে এটা মোটামুটি ধরেই নেওয়া যায়। অথচ লেখাপড়া শেষ করে ভালো একটা অবস্থান তৈরি করতে গেলে বয়স ৩৫ তো হতেই পারে! কিন্তু পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এবং এক সন্তান নীতির কারণে এক দিকে যেমন মেয়ের সংখ্যা কমের দিকে, তেমনি বিয়ের ব্যাপারে পুরুষের বায়নাও বেড়েই চলেছে। পুরুষ শাসিত সমাজে সাধারণত নিজেকে নারীর চেয়ে উন্নততর, অপেক্ষাকৃত ক্ষমতাবানের জায়গায় দেখতে চায় পুরুষ। পুরুষদের এমন চিন্তাই সমস্যায় ফেলছে চীনের পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব শিক্ষিত মেয়েদের।
মেয়েদের বয়স ২৬ থেকে ২৭ হলেই বিয়ের জন্য তাদের ওপর চাপ বাড়তে থাকে কারণ, ওই বয়সের মেয়েদের 'লেফটওভার ফাইটার্স' বা 'পরিত্যক্ত হওয়া এড়াতে সংগ্রামরত' ভাবেন পুরুষরা। বয়স যাদের ৩২ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে, চীনা পুরুষদের বিবেচনায় তারা 'পিৎসা হাট কর্মী', বা 'কুড়েঘর বাসিনী', যারা নিজের কাজে ব্যস্ত থাকায় স্বামী-সংসার নিয়ে ভাবার সময়ই পান না। তাদের বিয়ে হওয়াটা আরো কঠিন। আর বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলে মেয়ে যত যোগ্য, যত সুন্দরীই হোক, চীনের বিয়ের বাজারে তারা অপাঙক্তেয়।
হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক স্যান্ডি টো বিষয়টি নিয়ে চীনের অনেক অবিবাহিত মেয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। কথা বলে তিনি নিশ্চিত যে, চীনের পুরুষেরা তাদের চেয়ে যোগ্য মেয়েদের বিয়ে করতে অনিচ্ছুক, কারণ, যোগ্যতর মেয়েদের তারা ভয় পায়, মনে করে যোগ্যতার এই তারতম্য ভবিষ্যৎ জীবনে বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। এমন মানসিকতা দেশের সবচেয়ে যোগ্য নারী এবং সবচেয়ে অযোগ্য পুরুষদের বিয়ের বাজার থেকে ছিটকে ফেলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তার কথায়, অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, এখন 'এ' গ্রেডের পুরুষেরা বিয়ে করে 'বি' গ্রেডের মেয়েদের, 'বি' গ্রেডের পুরুষ খুঁজে নেয় 'সি' গ্রেডের মেয়েকে আর 'সি' গ্রেডের ছেলেরা বেছে নেয় 'ডি' গ্রেডের মেয়েকে। তার মানে, 'এ' গ্রেডের মেয়ে আর 'ডি' গ্রেডের ছেলেরা সঙ্গীই খুঁজে পায় না।
তার কথায়, অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, এখন 'এ' গ্রেডের পুরুষেরা বিয়ে করে 'বি' গ্রেডের মেয়েদের, 'বি' গ্রেডের পুরুষ খুঁজে নেয় 'সি' গ্রেডের মেয়েকে আর 'সি' গ্রেডের ছেলেরা বেছে নেয় 'ডি' গ্রেডের মেয়েকে। তার মানে, 'এ' গ্রেডের মেয়ে আর 'ডি' গ্রেডের ছেলেরা সঙ্গীই খুঁজে পায় না।
Wednesday, October 22, 2014
Tuesday, October 21, 2014
প্রতিদিনের সুস্থতায় কার্যকরী হেলথ টিপস
স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। এই স্বাস্থ্য যদি ভালো না থাকে তাহলে আপনি কি সুখে থাকবেন? পারবেন না। কারণ আপনার শরীর যদি ভালো না থাকে তাহলে কোন কিছুতেই আপনি ভালো থাকা যায় না। তাই সবার আগে চাই সুস্থ শরীর। আর শরীর সবসময় সুস্থ রাখার জন্য আমাদের অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয় যা স্বাস্থ্য রক্ষায় খুব প্রয়োজনীয়। কিছু সহজ টিপস যা মেনে চললে আপনি সর্বদাই ভালো থাকবেন। জেনে নিন নিয়মগুলো।
১। যখন আপনি খেতে বসবেন কখনোই একবারে বেশি খাবেন না। অল্প করে খান, তবে একটু পর পর। প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি পান করুন।
২। অফিসে সবসময় বাসা থেকে লাঞ্চ নিয়ে যান। তাহলে বাইরের খাবার খাওয়া থেকে বেঁচে যাবেন।
৩। কাজের মঝে অবশ্যই টি ব্রেক নিন। কারণ একটানা কাজ করতে গেলে কিছুটা হলেও শরীরে চাপ পড়ে।
৪। যে কোন জায়গায় লিফট ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। চেষ্টা করুন সিঁড়ি বেয়ে উঠতে।
৫। সবসময় রান্না করার সময় খাবারে লবণের ব্যবহার কম করুন।
৬। প্রতিদিন নির্দিষ্ট টাইমে ঘুমাতে যান এবং সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠুন।
৭। সলিড ফ্যাট খাবার, যেমন- ফাস্টফুড, ঘি, মাখন, চিজ ইত্যাদি খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
৮। প্রতিদিন খাবারের মেনুতে সবজি ও মাছ রাখুন। এবং ফল খেতে ভুলবেন না।
৯। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। বাইরে সম্ভব না হলে বাসাতেই ১৫ থকে ২০ মিনিট নিজে নিজে ব্যায়াম করুন। তাহলে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকবে।
১০। নিয়মিত নিজের ওজন, ব্লাড প্রেশার, শরীরে গ্লুকোজ এর পরিমাণ চেক করুন। মাসে অন্তত একবার রেগুলার চেকআপ এর জন্য ডাক্তার এর কাছে য
NET 24 OURS: কল্পনার অনেক ক্ষমতা
NET 24 OURS: কল্পনার অনেক ক্ষমতা: কল্পনার রয়েছে অসীম ক্ষমতা। এটি জ্ঞানের চাইতেও বেশি পরিধি সম্পন্ন। কারণ যিনি সব দিক থেকে অনেক বেশি জ্ঞান অর্জন করেছেন, যার অভিজ্ঞতা অনেক ব...
কল্পনার অনেক ক্ষমতা
কল্পনার
রয়েছে অসীম ক্ষমতা। এটি জ্ঞানের চাইতেও বেশি পরিধি সম্পন্ন। কারণ যিনি সব
দিক থেকে অনেক বেশি জ্ঞান অর্জন করেছেন, যার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি
সর্বক্ষেত্রে তিনিই অনেক কিছু নিজের ভেতর থেকে কল্পনা করতে পারেন। এবং সেই
কল্পনাকে বাস্তবতায় রূপ দেয়ার চেষ্টা তখন অনেক প্রবল হয়ে ওঠে। এতে করেই
মানুষ ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি দেখতে পায়। অনেক ক্ষেত্রে আপনি যখন কোনো
ব্যাপার নিয়ে কল্পনা করবেন তখন এই ব্যাপারটি সম্পর্কে আপনার আরো বেশি জানার
আগ্রহ বাড়বে। এজন্যেই তিনি বলেছেন, ‘কল্পনা জ্ঞানের চেয়ে আরো
গুরুত্বপূর্ণ’।
BD ONLINE GUIDE: বাংলাদেশ থেকে ভিসা ছারাই ঘুরে আসতে পারেন যেসব দেশ!...
BD ONLINE GUIDE: বাংলাদেশ থেকে ভিসা ছারাই ঘুরে আসতে পারেন যেসব দেশ!...: ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে: #এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা) #শ্রীলংকা (৩০ দিন) আফ্রি...
Subscribe to:
Comments (Atom)







