Saturday, November 29, 2014

BD ONLINE GUIDE: QURAN AR SHIKKA

BD ONLINE GUIDE: QURAN AR SHIKKA: 10 আদিল সালাহ পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু কর...

Wednesday, November 26, 2014

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার


আজ প্রায় সবাই জানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করা যায়। আবার অনেকে কাজ করে লাভোবান হয়েছেন। তবে জানার থেকে সঠিক উপায়ে কাজটি করার মাঝে সফলতা নিহিত রয়েছে। মজার বিষয় এখনো আমরা অনেকেই জানিনা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং কে কেরিয়ার হিসেবে নেওয়া যায়. ফ্রিল্যান্সিং নির্ভর করে আপনার কাজের দক্ষতা, আপনার অভিজ্ঞতা এবং কাজের পারিশ্রমিক চাওয়ার উপর। আপনি যদি কাজে দক্ষ হন এবং যদি কাজের মাধ্যমে বায়ারকে সন্তুষ্ট করতে পারেন তবে অবস্যই কাজ পাবেন। আপনার ইংরেজি দক্ষতা এক্ষেত্রে ভালো ফল দিতে পারে। কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে অনলাইন মার্কেট সম্মন্ধে নলেজ রাখতে হবে। অনেকে আছেন, যারা আবেদন করেই কাজ পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন অনকে আবেদন করেও কাজ পাননা,তবে ধর্যহারা হলে চলবেনা।
যদি কোথাও আটকে যান, তখন গুগল সার্চ করুন। অনলাইনে আপনার সহায়ক অনেক উপকরণ পাবেন। প্রোফাইল তৈরি থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া পর্যন্ত সব কিছুই এখন অনলাইনে আপনার হাতের নাগালে।
মনে রাখবেন আউটসোর্সিং মানে শুধু অনলাইনে কাজ করা না,অনলাইনের বাইরেও কাজ করে আপনি আয় করতে পারবেন। বর্তমান পরিসংখ্যানের তথ্য মতে, বাংলাদেশের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার যুবসমাজ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সক্রিয়। আউটসোর্সিং এ যাহারা একেবারেই নতুন তাদের মনেরাখতে হবে,নিজকে যোগ্য করে গরুন, আপনাকে জব খুজতে হবেনা জব আপনাকে খুজে নেবে.
গুগলকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু বানিয়ে ফেলুন। যেকোনো সফল ফ্রিল্যান্সারকে জিজ্ঞেস করলেই দেখবেন, প্রত্যেকেই বলবে তারা অনেক কিছু গুগল সার্চ করে জেনেছে। বিষয়টি আসলেই সত্যি। যদি কোথাও আটকে যান, তখন গুগল সার্চ করুন। অনলাইনে আপনার সহায়ক অনেক উপকরণ পাবেন। প্রোফাইল তৈরি থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া পর্যন্ত সব কিছুই এখন অনলাইনে পাবেন।
সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে সক্রিয় থাকুন। লিংকডইনে তৈরি করুন পেশাদার প্রোফাইল। আপনি ইউটিউব থেকেও টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন। অবশ্য একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরুর আগে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা ও উন্নত কনফিগারেশনের কম্পিউটারও প্রয়োজন পড়বে।
ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে অনেকেই দিন-রাত কিছুই মানেন না । ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে অনেকেই বন্ধুদের সঙ্গেও দেখা করার সুযোগ পান না। এজন্য অনেকেই একা হয়ে পড়েন এবং অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করলেও নিজেকে কিছুটা সময় দিন। বই পড়ুন, বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটান। ঠিক সময়ে ঘুমান। প্রচুর পানি পান করুন। নিজের কাজের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে যান। শুধু অর্থ আয়ের পেছনে ছোটার চেয়ে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে নিন আগে। ফ্রিল্যান্সিং করে যাঁরা সফল হয়েছেন তাঁদের পরামর্শ হচ্ছে কাজ না শিখে ফ্রিল্যান্সিংয়ে আসবেন না।calected

প্রসঙ: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সংকট ও নিরসন।

 ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ
সংখ্যা গরিষ্ঠ ভাবে এদেশের ক্ষমতার
ভার নেয়, এর পর তাদের মূল লক্ষ্য
হয়ে দঁড়ায় দেশকে ডিজিটাল
করে গড়ে তোলা ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন।
কিন্তু আজ পাঁচ বছর পর কোন ডিজিটাল
করন বা, অগ্রগতি লক্ষিত হয় নি!! !!!
পাঁচ বছরে চতুর্থ বারের মত
বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। যা,আমাদের
ইতিহাসে বিরল। কিন্তু
কিভাবে হচ্ছে এসব?
বহুকাল পূর্বে সুবেদার সুজাউদ্দীন ও
শায়েস্তা খানের অর্থলিপ্সায়
বাংলার কোটি কোটি টাকা পশ্চিম
বাংলা ও দিল্লিতে পাঁচার
হয়ে যায়,যাকে বলা হয় পূজি পাঁচার।
আমার মনে হচ্ছে এখনও বাংলায় সেই
ভয়াবহ অবস্থা চলছে।
২০০৯ সালে যখন প্রথম বিদ্যুতের দাম
বেড়ে যায়, তখন সরকারের কর্তৃপক্ষ
দেশের সকল বিদ্যুতের মিটার
ডিজিটাল করার নির্দেশ দেয়,তারপরও
দাম কমে যায় নি। বরং বেড়েছে।
পরবর্তীতে এ নিয়ে হয়েছে অনেক গোল
টেবিল বৈঠক, কিন্তু আমরা রয়ে গেলাম
ভুক্তভোগী ই।
২০১০ সালে সরকারের
বাজেটে বিদ্যুতের ব্যাপক পরিবর্তন
দেখা দেয়, দাম আবারও বেড়ে যায়
কোন কারণ ছাড়াই।
২০১১ ও ২০১২ সালে টিপাইমুখ বাধ ,
ফারাক্কা সমস্যা ও সেনাবাহিনী র
তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়
কয়েকটি বিদ্যুত ক্ষেত্র কিন্তু জনগণের
জন্যে সেগুলো কোন কল্যাণ
বয়ে আনেনি।
শুধু পরিবর্তন হয়েছে আয়কর ও বিদ্যুতের
দাম।
পরবর্তীতে, ২০১৩ - ২০১৪
সালে দেশে এসেছে ভয়াবহ বিদ্যুৎ
সংকট।
এ নিয়ে বিরোধীদল এর
একটি সভা আমার ভালই লেগেছে,
সেখানে মূল কথা ছিল :
Stop Indian Aggressiveness.
Save South Asian River.
আমি সভাতে যোগ দিতে চাইলেও
মাত্র অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র হয়ে দেশের
জন্য কিছুই করতে পারিনি।
তারপর আসে লং মার্চ, টিপাইমুখ এর জন্য।
কিন্তু ফলাফল শুন্য।
আপনি কি জানেন, ২০০৭ এর ১৪ই নভেম্বর
দেশে সিডরের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড
হয়ে যায় দেড় লাখ ঘরবাড়ি। আর সেটার
সংখ্যা হয়ত আরও বৃদ্ধি পেত, সুন্দরবন
না থাকলে,আর সেই বন কে ধব্বংশের
জন্যে পদক্ষেপ নিলো সরকার,
তারা সেখানে রামপাল
কয়লাখনি তৈরী করল।
আমার এখন প্রশ্ন হচ্ছে, দেশের ভৌগলিক
অবস্থানের কারণে এমনিতেই
জলোচ্ছ্বাস, ঝড় হয়ে থাকে। আবার
সিডরের মত কিছু হলে, ( আল্লাহ না করুক)
কে বাঁচাবে? হাসিনা,? নাকি জয়?
এরপর,
সর্বশেষ জয় বললেন, দেশে ১২হাজার
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উতপাদন হয়েছে।
এখানে একটা কথা বলা উচিত, এক ওয়াট
আর এক মেগাওয়াট কিন্তু এক না।
আমি একটা পরিসংখ্যান করে পেয়েছি,
কোন
বাড়ি বা মেসে যদি ২৮টি বাতি,
১৬টি ফ্যান, দুটি করে টেলিভিশন,
ফ্রিজ ও কম্পিউটার ও থাকে তবুও সর্বোচ্চ
২৩০ থেকে ২৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
কাটার কথা।
তাহলে, ১২হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
গেল কই?
ইতিমধ্যে সরকারের নতুন আদেশ -
আগামী বছর থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ এর
দাম আবার বাড়বে।
হায় রে কি আর করা......
আমি ছোট হতে পারি কিন্তু কঠোর
দেশপ্রেমিক।
দেশের একটু অন্যায়ে, ষাটোর্ধ একজন
মানুষের চেয়েও বেশি ও ভয়াবহ
বজ্রকণ্ঠে কেঁপে ওঠাতে পারি দেশ।
নজরুলের বিদ্রোহী দেশপ্রেমিক আজও
আছে দেশে.....calected.

Monday, November 24, 2014